আজ- মঙ্গলবার, ২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

উপজেলা পরিষদে নাম ভাঙিয়ে অর্থ আত্মসাত করার অভিযোগ সিএয়ের বিরুদ্ধে


 

 

 ।।  রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি ।।

করোনাভাইরাস পরিস্থির সুযোগ নিয়ে বান্দরবানে রুমা উপজেলায় মেনরন পাড়া স্কুল যাওয়ার রাস্তায় ছোট ঝিড়িতে গেট ওয়ালে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করণের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা পরিষদে সাঁট মূদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর( বিশ^স্থ সহকারি-সিএ) কোন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতে ইখতিয়ার নেই। তবে ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের ৭নং ওর্য়াডের মেম্বার,যিনি প্রকল্পে সভাপতি সাক সিং ম্রো’র সাথে উপজেলার সিএ লিয়াজো করে রুমা উপজেলা চেয়ারম্যান’র অজান্তে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা( কোড-২২১০০০৪০০) খাতের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অগ্রগতির মেনরন পাড়া স্কুল যাওয়ার রাস্তায় ছোট ঝিড়িতে গেট ওয়ালে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করণের প্রকল্পের জন্য ১লক্ষ ৩০হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় এডিবি। তবে কাজের মান চলছে নামেই মাত্র।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান উহ্লাচিং মারমা সাংবাদিকদের বলেন, এডিবির আওতায় একটি প্রকল্প সাকসিং ম্রো মেম্বার সভাপতি করে কাজ করতে দিয়েছি। এ ব্যাপারে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর উসাইমং মারমাকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হয়নি। মেম্বারের সাথে সত্যতা জেনে দেখবো বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইয়ামিন হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম অনুসারে উন্নয়নের কাজে কোন উপজেলা পরিষদে সদস্য বাস্তবায়নের কাজে লিপ্ত হওয়া যাবে না। যদি এ ধরণের উপজেলার পরিষদে সদস্য কোন অনিয়ম করে থাকলে প্রকল্পে সভাপতি’র সাথে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত বুধবার(৩০জুন) বিকালে উপজেলা পরিষদ প্রধান সড়কের পাশে আলমগীর নামে এক চায়ের দোকানে বসে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটরের পদে উসাইমং মারমা এর সাথে সাংবাদিকদের বলেন, উপজেলা পরিষদে কাজ পেয়েছেন রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার সাক সিং ম্রো। তবে তিনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে পাড়ারবাসীরা বিভিন্ন ধরণের খারাপ কথা বলতে পারে বলে,তাই আমাকে(সিএ) প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সহকারী হিসেবে রেখে আমরা দুইজন কাজ করেছিলাম। তবে তিনি আরো বলেন, যে কোন কাজের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি শতভাগ কাজ কেউ করবে না, আমরা কিছু লাভের অংশ মেম্বারের সাথে ভাগ করেছি।
প্রকল্প সভাপতি সাক সিং ম্রো’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাম-কম্পিউটার অপারেটর উসামং মারমা ঐ প্রকল্পে সভাপতি হিসেবে আমাকে নগদ অর্থ ১০হাজার টাকা দিয়েছে। বাকি টাকাগুলো আমি কিছুই জানি না।

ডেইলি/ এস

 


এই রকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

বিশেষ খবর