আজ- বুধবার, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে কী হচ্ছে


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে কী হচ্ছে

।। মো. জাকির হোসেন।।

সম্ভবত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে নীতিভ্রষ্ট ও নির্লজ্জ উপাচার্য অধ্যাপক সোবহান অবশেষে বিদায় নিয়েছেন। তিনি এতটাই নির্লজ্জ কাজ করেছেন যে আমি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি এই পরিচয় দিতেও লজ্জাবোধ করছি। মেয়াদের শেষ দিনে অস্থায়ী ভিত্তিতে ১৩৮ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন অধ্যাপক সোবহান। অধ্যাপক সোবহান অবশ্য এই গণনিয়োগের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, এটি ‘মানবিক নিয়োগ’। মানবিক শব্দটি ইদানীং ভাইরাল হয়েছে। অনৈতিক সম্পর্ক আড়াল করতে ‘মানবিক বিয়ে’ আর বেআইনি নিয়োগকে বৈধতার পোশাক পরাতে ‘মানবিক নিয়োগ’ তকমা লাগানো হয়েছে। অধ্যাপক সোবহান গণনিয়োগ দিতে এতটাই ‘মানবিক’ ছিলেন যে নিয়োগপ্রাপ্তদের কয়েকজন বাদে অন্যদের নিয়োগের জন্য আবশ্যকীয় জীবনবৃত্তান্ত জমা নেওয়াও দরকার মনে করেননি। গণনিয়োগের আগে অধ্যাপক সোবহান ‘স্নেহময় নিয়োগ’ দিয়েছেন নিজের মেয়ে ও জামাতাকে। এ স্নেহের নিয়োগ দিতে তিনি নির্লজ্জভাবে নিয়োগের আবেদনের যোগ্যতা শিথিল করেছেন। মেয়ে ও জামাতাকে স্নেহময় নিয়োগ দিতে গিয়ে এমন অন্তত আরো ৩২ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন, যাঁদের আগের নীতিমালায় আবেদন করারই যোগ্যতা ছিল না। অবশ্য সোবহানরা একা নন। বেশ কয়েকজন উপাচার্যের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, নিয়োগ বাণিজ্য, নির্মাণকাজ থেকে অর্থ গ্রহণসহ নানা অপরাধ-অপকর্মের তদন্ত চলছে। একজন দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডের সাজা ভোগ করছেন। ‘উপাচার্য’ লিখে গুগলে সার্চ দিলে তাঁদের দুর্নীতি আর অনিয়মের খবর দেখতে পাবেন। দুর্নীতির দায় নিয়ে বিদায় নেওয়া উপাচার্যদের জন্য একটি কারণে অবশ্য আমার মায়া হয়। তিনি একা তো দুর্নীতি করেননি, একা তো নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন না। তাঁর এসব কুকর্মের জন্য একটি কুকর্ম উপদেষ্টা পরিষদ ছিল। কুকর্ম উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে, নিদেনপক্ষে তাঁদের অবগতিতে ও সহায়তায় নানা অপরাধ-অপকর্ম করেছেন। বিদায়কালে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা সটকে পড়েন, সবার সম্মিলিত কুকর্মের দায় উপাচার্যকে একাই বহন করতে হয়। শঙ্কার কথা, কুকর্ম উপদেষ্টা পরিষদ স্থায়ী নয়, উপাচার্যের বিদায়ের সঙ্গে আমেরিকান স্পয়েলস সিস্টেমের মতো উপদেষ্টাদেরও বিদায় হতে হয়। আসেন নতুন উপাচার্য, স্থলাভিষিক্ত হয় নতুন কুকর্ম উপদেষ্টা পরিষদ। আর এভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আলয়ে অনৈতিক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।

অধ্যাপক সোবহানের বহুল কাঙ্ক্ষিত বিদায়ের আগের দিন সরকার অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। তাঁর এ নিয়োগে আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন ও আলাদাভাবে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। প্রতিবাদের সুর তীব্র নয়, অনেকটা মিনমিনে ছিল। মিনমিনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমরা নৈতিক মনোবল হারিয়েছি। ১৯৭৩ সালে প্রণীত বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্টের আওতায় পরিচালিত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের ভোটে নির্বাচিত তিনজনের একটি প্যানেল থেকে চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি কর্তৃক একজনকে উপাচার্য নিয়োগের বিধান রয়েছে। সিনেট থেকে প্যানেল না পাঠালেও ১৯৭৩-এর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্টের ১২(২) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিজস্ব ক্ষমতাবলে অস্থায়ী নিয়োগ দিতে পারেন। এই ধারায় বলা হয়েছে, ছুটি, অসুস্থতা, পদত্যাগ বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি অস্থায়ীভাবে কাউকে এ পদে নিয়োগ দিতে পারবেন। কিন্তু বহু বছর ধরে অস্থায়ী নয়, রাষ্ট্রপতি মেয়াদ উল্লেখ করে নিয়মিত উপাচার্য নিয়োগ করছেন। ’৭৩-এর আইন দ্বারা পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগে যখন বারবার আইন লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, আমরা তার প্রতিবাদ করিনি। আমরা এমন উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারিনি যে আইন লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া উপাচার্যকে আমরা গ্রহণ করব না। বরং আইন লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া উপাচার্যকে বরণ করতে আমরা ফুলের বাসর সাজিয়েছি। জাতীয় পর্যায়ে দূরে থাক নিজে বিশ্ববিদ্যালয়েও যিনি অখ্যাত ছিলেন উপাচার্য হওয়ার পর তৈলমর্দন করে তাঁকে ‘আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন’ বানিয়ে ফেসবুক, বক্তৃতা-বিবৃতিতে সরগরম করেছি। অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা বেআইনি নয়। এখানে অধ্যাপক নিয়োগের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এটি প্রত্যাশার ব্যত্যয় বা বড়জোর প্রচলিত প্রথার লঙ্ঘন। উপাচার্য নিয়োগে আইন লঙ্ঘনকে পৌনঃপুনিক স্বাগত জানিয়ে প্রত্যাশা বা প্রথার ব্যত্যয়কে তীব্রভাবে প্রতিবাদ করব কোন মুখে? মিনেমিনে প্রতিবাদের আরেকটি প্রচ্ছন্ন কারণ থাকতে পারে।

‘Aim in Life’ রচনা পড়তে-লিখতে গিয়ে হৃদয়ের নিভৃতে একটি খায়েশ বাসা বেঁধেছে। সেই খায়েশ পূরণ করতে অবশ্যই সরকারের অনুগ্রহ চাই। তীব্র প্রতিবাদ করে অনেক যতনে পোষে রাখা সেই স্বপ্নের মৃত্যু কেন ডেকে আনব?

একজন মানুষ দীর্ঘ চাকরিজীবন শেষ করে অবসরে যাবেন, এটাই নিয়ম। অন্যান্য কারণের পাশাপাশি অবসর গ্রহণের অন্যতম একটি কারণ হলো—শরীর, মন, মেধায় যখন ভাটার টান শুরু হয় তখন অপেক্ষাকৃত যোগ্য কাউকে স্থান ছেড়ে দিতে হয়। অবসর গ্রহণের পরও সরকার কাউকে কাউকে প্রশাসনেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। মোহাম্মদ আবদুল মান্নানকেও সরকার সেরূপ নিয়োগ দিতে পারত। কিন্তু প্রত্যাশা বা প্রথার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকার অবসরোত্তর ছুটি ভোগরত একজন আমলাকে কেন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বেছে নিল? এর সম্ভাব্য যেসব কারণ থাকতে পারে—এক. প্রশাসনের কাজ পরিচালনার জন্য যে শারীরিক, মানসিক ও মেধাগত সক্ষমতা দরকার জনাব মান্নানের তাতে ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে অতটা সক্ষমতার প্রয়োজন হয় না, তাই কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন। দুই. উপাচার্যরা নানা দুর্নীতিতে জড়াচ্ছেন, তার লাগাম টেনে ধরতে একজন আমলাকে কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ। প্রশ্ন হচ্ছে, আমলারা কী বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত? বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকজন উপাচার্য ও তাঁদের কুকর্ম উপদেষ্টা পরিষদ ছাড়া সাধারণ শিক্ষকরা আর্থিক দুর্নীতি করেছেন এমন ঘটনা অতি বিরল। অন্যদিকে কানাডার বেগমপাড়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তাঁর ধারণা ছিল অর্থপাচার ও কানাডায় বাড়িঘর কেনার ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু সংগৃহীত তথ্য থেকে জানা গেল, রাজনীতিবিদের চেয়ে সরকারি কর্মকর্তার সংখ্যাই বেশি। কোনো অধ্যাপক অর্থপাচার করেছেন এমন খবর এখনো শুনিনি। তিন. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা দিন দিন কমে আসছে। জনাব মান্নান সরকার পরিচালনায় তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো সক্রিয় ও সক্ষম করে তুলবেন। চার. সরকার বা আমলাতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। জনাব মান্নানকে নিয়োগ তারই শুভ মহরত। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ কর্তৃক একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘সরকার প্রশাসন ক্যাডারের একজন বর্তমান বা সাবেক কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিতে পারে। এ বিষয়ে নিয়োগবিধিতেই স্পষ্ট করে নির্দেশনা রয়েছে। এ ধরনের নিয়োগ নিয়ে আইনগত কোনো বাধা নেই। সরকার যে নিয়োগ দিয়েছে তা জেনে-বুঝেই দিয়েছে।’ প্রশাসন ক্যাডারের একজন বর্তমান বা সাবেক কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিতে পারে মর্মে নিয়োগবিধিতেই স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে বক্তব্যটি সঠিক নয়। বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ১৩(১) অনুচ্ছেদে কোনো পেশার কথা উল্লেখ নেই। চার. বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো যোগ্যভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষক, আমলা সবাই মিলেমিশে কাজ করবে, তাই আমলা নিয়োগ। সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হলেই তাঁর কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়ার বিরোধিতা করা উচিত নয়। এখানে সবারই মিলেমিশে কাজ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’ অতীত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতি আমলা-শিক্ষক মিলেমিশে কাজ করার পক্ষে কতটুকু অনুকূল? বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আমলের আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি প্রশাসনের উচ্চ পদে আমলাদের বাইরে থেকে কতিপয় নিয়োগ প্রদান করেছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. টি হোসেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে বাহাউদ্দিন চৌধুরীকে নিয়োগ প্রদান করেও তাঁদের সেখানে রাখতে পারেননি। আমলাদের চাপে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছেন। মিলেমিশে কাজ করার জন্য আমলাতন্ত্রে এখন কী অধ্যাপককে স্বাগত জানানো হবে? বর্তমান বেতনকাঠামোর আগে অধ্যাপকরা সচিবের সমান গ্রেডে বেতন পেতেন। চলমান পে-স্কেলে শিক্ষকদের তিন ধাপ নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক আন্দোলন, দেনদরবার করে এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে; কিন্তু এখনো দুই ধাপ পেছনে। সমঝোতা হয়েছিল সাধারণভাবে অধ্যাপকরা মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিবের নিচে সচিবের সমগ্রেডে বেতন পাবেন, অল্প কিছু অধ্যাপক সিনিয়র সচিবের গ্রেড পাবেন। আর রাষ্ট্রীয় পদক্রম সংশোধন করে অধ্যাপকদের পদমর্যাদা বাড়ানো হবে। কয়েক বছর গত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আজ অবধি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমন অবহেলা কি মিলেমিশে কাজ করার ইঙ্গিত দেয়?

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান, উপাচার্যসহ কিছু শিক্ষকের নৈতিকতার মান ভয়ংকরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় প্রথা-প্রত্যাশার ব্যত্যয় করে আমলা কোষাধ্যক্ষ নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে আমার ধারণা। টেস্ট কেস সফল হলে ভবিষ্যতে হয়তো আমলা উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যও নিয়োগ হবে। উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে তদবির-লবিং, দলীয় আনুগত্যের আগে তাঁর ব্যক্তি চরিত্র ও সততা বিবেচনায় নেওয়া আবশ্যক। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একজন সৎ, পদপ্রেমিকের পরিবর্তে দেশপ্রেমিক, কর্মনিষ্ঠ, আইনের শাসন ও সুশাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষকে উপাচার্য নিয়োগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশ অসুখ এমনিতেই সেরে যাবে। আর ২৫ শতাংশ উপাচার্য তাঁর নিজস্ব চিকিৎসাপদ্ধতি, শুদ্ধাচার ও দৃঢ়ভাবে আইনের প্রয়োগ দিয়ে সারিয়ে তুলবেন। উদাহরণস্বরূপ ক্লাস-পরীক্ষা নিয়মিতভাবে না নিলে উপাচার্য সেই শিক্ষককে চাকরি থেকে বিদায় করতে তাঁর দলীয় পরিচয় বা অন্য কোনো কারণে বিন্দুমাত্র বিচলিত বা দ্বিধাবোধ করবেন না। বাকি ২৫ শতাংশের জন্য দীর্ঘ মেয়াদের চিকিৎসা দরকার হবে।

লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 


এই রকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

বিশেষ খবর