আজ- বুধবার, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মহামারিতে ক্ষুধা ও অপুষ্টি বেড়েছে নাটকীয়ভাবে


।। ডেস্ক রিপোর্ট।।

গত বছর বিশ্বে ক্ষুধা ও অপুষ্টির মাত্রা নাটকীয়ভাবে বেড়ে আরও খারাপের দিকে গেছে। বিশেষত, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত জাতিসংঘের তিন সংস্থার এক যৌথ প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে অপুষ্টিতে ভোগা লোকের সংখ্যা বেড়ে ৭৬৮ মিলিয়ন বা ৭৬ কোটি ৮০ লাখে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ। আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে এ সংখ্যা ছিল ১১৮ মিলিয়ন বা ১১ কোটি ৮০ লাখ। হিসেব করলে দেখা যায়, আগের বছরের তুলনায় এক বছরে বিশ্বে অপুষ্টিতে ভোগা লোকের সংখ্যা বেড়েছে ৬৫ কোটি।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) যৌথভাবে ‘বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির সার্বিক অবস্থা’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

যৌথ প্রতিবেদনে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো বলছে, দুঃখজনকভাবে করোনাভাইরাস মহামারি আমাদের খাদ্য সরবরাহ প্রক্রিয়ার দুর্বলতাকে উন্মোচন করছে, যা বিশ্বজুড়ে মানুষের জীবন জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। এ হুমকি থেকে বাদ যায়নি বিশ্বের কোনো অঞ্চলই।

প্রতিবেদন জানায়, অপুষ্টিতে ভোগা মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশির বাস এশিয়া ও আফ্রিকায়। করোনা মহামারির প্রভাব এ দুই মহাদেশে বেশি আঘাত হেনেছে। বিশ্বের অন্য অঞ্চলের তুলনায় এ দুই অঞ্চলে অপুষ্টিতে ভোগা লোকের সংখ্যা দ্বিগুণে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে ভুক্তভোগিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে শিশুদের। প্রতিবেদনটিতে ধরণা করে বলা হয়েছে, বর্তমান ধারা চলতে থকলে জাতিসংঘের ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করার যে লক্ষ্য, তা পূরণ করা সম্ভব হবে না। প্রায় ৬৬ কোটি মানুষ ক্ষুধাপীড়িত থেকে যাবে।

ডেইলি/ এস


এই রকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

বিশেষ খবর